ভোক্তা অধিকারে আব্দুর জব্বার: কোটি মানুষের আস্থার নাম
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আব্দুর জব্বার নামটি এখন কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক। কখনো বাস টার্মিনালে হানা দিয়ে টিকিট কারচুপি ঠেকিয়েছেন, আবার কখনো মিষ্টির দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত দাম ও ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন।
সততা ও নৈতিকতায় অটল
যে সমস্যাই সামনে আসুক না কেন, আব্দুর জব্বার ও তার টিম নিরলসভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সততা ও নৈতিকতার জন্য তার চাকরিজীবনে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। সাদাসিধে জীবনযাপন করলেও ভোক্তা অধিকারের নাম তিনি উজ্জ্বল করেছেন।
অভিযোগ প্রমাণ হলে জরিমানা
অধিদপ্তরের তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জরিমানার একটি অংশ সরাসরি ভোক্তাকে ফেরত দেওয়া হয়। ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর লক্ষাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে প্রায় দেড় লাখ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
ভেজাল ও অনিয়মের চিত্র
অভিযানে ভয়ঙ্কর সব অনিয়ম ধরা পড়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দামি ব্র্যান্ডের মিষ্টির ভেতর তেলাপোকা পাওয়া গেছে, মাছকে টাটকা দেখাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি কেক ও পেস্ট্রির মতো খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কাপড়ের রঙ।
এছাড়া বাসের টিকিট বিক্রিতে নানান ধরনের অনিয়মও উদঘাটিত হয়েছে।
অভিযোগ জানানোর নিয়ম
ফ্যাক্স, ই-মেইল, ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ভোক্তারা অভিযোগ জানাতে পারবেন। তবে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানা জরুরি
অভিযোগ অবশ্যই লিখিত হতে হবে।
অভিযোগের সঙ্গে পণ্য বা সেবার ক্রয়ের রসিদ যুক্ত করতে হবে।
