কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু হলে কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং কৃষি অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে।
বুধবার মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের মেদুলিয়া এলাকায় ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, শীতকালীন মৌসুমে প্রচুর সবজি উৎপাদিত হলেও সংরক্ষণের অভাবে অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর মধ্যস্বত্বভোগীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে লাভবান হয়। মিনি কোল্ড স্টোরেজ কৃষকদের সে ক্ষতি কমাবে এবং ভোক্তারা সরাসরি উপকৃত হবেন। ভবিষ্যতে এ প্রকল্প সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষি জমি সুরক্ষায় আগামী ৫–৬ মাসের মধ্যেই আইন পাস করা হবে। এতে শিল্পকারখানা ও অন্যান্য অবকাঠামোর জন্য আলাদা জমি বরাদ্দ থাকবে। পাশাপাশি নতুন আইনে এলজিইডির প্রকল্পেও জমি অধিগ্রহণে তিনগুণ ক্ষতিপূরণের বিধান রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলমসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়িত “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি প্রকল্প”-এর আওতায় সারাদেশে প্রাথমিকভাবে ১০০টি ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একটি মিনি কোল্ড স্টোরেজে ১০ টন পণ্য সংরক্ষণ করা যায়, খরচ প্রায় ৫ লাখ টাকা, যা প্রচলিত কোল্ড স্টোরেজের তুলনায় ৭০ শতাংশ কম।
